Tuesday, April 5, 2016

শুনশান শুন্যস্থান পেরিয়ে যুক্তাক্ষরে পা দিতেই আর্তনাদ করে উঠল কলম টা। দ্রাবিড়ীয় ইতিহাস মাখা রিফিলটা ভগ্নাংশের অস্তিত্বর খোঁজে স্পাইরালের প্রতিটা গর্তে এক্কা দোক্কা করতে করতে মাথা ঘুরে আচমকাই তৃতীয় লাইনে এসে, খসখস আওয়াজ তুলে এগোতে লাগল। ঘুম পাহাড়ের মাথার ওপর থেকে শেষবার দেখা কাঞ্চণজঙ্ঘা রং ছাকনী চুঁয়ে সাদা কাপে ভর্তি । দশ ওয়াট এল ই ডি শালক সংশ্লেষ ঘটালো বিবর্ন পাতায়। শুন্যস্থান পুরণ। রিফিল শ্রান্ত । সামন্তরাল মাএাগুলোয় পূর্ণ প্রাপ্তবয়সের ছাড়-পত্র । ।
চৈএ সেলে সবই পাওয়া যায় শুনে সারাক্ষণ গড়িয়াহাটার চৈএ সেলে কিনতে গেলাম মন। ।
ডাইনে বাঁয়ে, এদিক সেদিক হকার পরখ করে গুলিয়ে গিয়ে থমকে গেলাম ডোভার লেনের মোড়ে। ।
“কি চাই দাদা?” শুধায় হকার “মন কত করে ভাই?” আঁতকে উঠে ঝাঝিয়ে বলে “মন বিক্রি নাই”। ।
কাচ ঠেলে ঢুকে বিশাল দোকানে খুঁজতে মনের পসার সেলস ম্যান বলে - “মন? দাড়ান ডেকে আনি সিনিয়ার”। ।
চড়ছে পারদ , নারদ নারদ এই বুঝি মার খাই চৈএ সেলে সব মিললেও মনের দেখা নাই। ।
মানুষ কেনা যায় কি? যায় যায়। মৃতদেহ দু লাখ, আধ মড়া এক লাখি। ।
তবে যে শুনেছি কোষাগার উদ্বৃত্ব? হ্যাঁ ঠিকই। তাই তো অধঃপতন ২৩ জন আজ মৃত। ।
রক্ত নিয়েও রাজনীতি , ভাবা যায়!! এর ঝান্ডা, ওর পান্ডায় বড়ই দুঃসময়। ।
ভাগ্যিশ আজও মানবীকতা বেঁচে নইলে রক্ত দেবার জন্য এত মানুষ আসত যেচে। ।
সত্যিই । সব কথার এক কথা প্রাণ চাও যদি শহরেরও তবে বাস করো কলকাতায়। ।

Wednesday, March 16, 2016

প্রবাসে দিবস কাটে
দিন শেষে অবসাদ
প্রচুর সময় হাথে
কলমের আর্তনাদ
চিন্তার কুমন্ত্রণায়
কাব্যও আসেনা
একাকিত্বের যন্ত্রণা
লিভার ভালবাসেনা
সপ্তাহ পার হয়
মাস শেষে মাইনে
কবি অকুতভয়
"এই জীবন চাইনে"
অভয় দেন তিনি, পেয়ে দুখের আচ
একটা তো কেটে গেল, বাকি মাত্র পাচ

 

Wednesday, March 2, 2016

চাঁদের তখনও ঘুম পায়নি ।
সূর্যও বেরোয়নি প্রাতঃভ্রমণে । 
লাট খেতে খেতে ভেসে চলা মেঘে চড়ে,
তোর জানলার সামনে উঁকি ঝুঁকি ।
নাইট ল্যাম্পের মৃদু আলোয়,
অগোছালো চুলের ফাঁক দিয়ে,
অধর ওষ্ঠের সামন্তরাল ওঠানামা ।
আস্থে পৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরলাম পাশবালিশ।
চাঁদ যেন আজ জেগেই থাকে
সূর্যের যেন ঘুম না ভাঙে।
দুদিক দিয়েই অনেক ছিল চেষ্ঠা
দুদিক দিয়েই অনেক ফোকর-ফাঁক
অতপর বিচ্ছেদ ই হলো শেষটায়
দুজনের পথ দুদিকে নিল বাঁক

বছর দেড়েক পিছিয়ে যদি দেখি
তুমি হুরমুর, ঘুমিয়ে পরেছ বলে
লেট হবে জেনে ফর্মে নাম লিখি
প্রথম আলাপ ইন্টারভিউ হলে

আবার ধাক্কা দুগ্গা পুজোর পরে
আমি আনমনে সিট ছেড়ে ক্যান্টিন
হঠাত চেনা আয়ব করিডরে
পরের পাঁচ দিন, একসাথে টিফিন

একটু এগিয়ে, ফেব্রারী, বেঙ্গালুরু
মোমের আলোয় ডিনার, ফের প্রাতরাশ
দুটো মনের এক হওয়ার ভাবনা শুরু
এম. জি. রোডে তোমার দীর্ঘসাস

বছর কাটল হোয়াটসআপ, লিন্ক, ফোন
ভীষণ ব্যস্ত প্রমোট হবে বলে
বছর শেষে প্রত্যাবর্তন
এই শহরে ট্রান্সফার নিয়ে এলে

দিন কাটল, মাস ও , কাটল সুর
কথা হয়না, তুমি যে ঈদের চাঁদ
একটু একটু করে তুমি বহুদূর
সম্পর্কও দাড়ায় কিনারে খাদের

শেষমেষ তাই ফাইন ডাইন, সাথে বিয়ার
"ডোন্ট ওয়ারী, উই শ্যাল বি ফ্রেন্ডস "
আমি ছলছল চোখে, গ্লাস তুলে চিয়ার
পিকচার খতম, ভালবাসার দি এন্ড

এই বসন্ত একাই অনেকদুরে
তোমার দেওয়া ভালেন্টাইন চুমো
এয়ারপোর্টএ তোমার কানের দুল
সোয়েটার আকড়ে এখনো
হঠাত নামো একটা স্টপেজ আগেই
বুঝতে পেরেই টুক করে নাও অটো
ব্রিজের এপার একলা বাস স্টপ
ব্রিজ পেরিয়ে হাথ ধরে পথ হাটো
কানের দুলটা সযত্নে রাখি ব্যাগ এ
তোমার শরীরে আদরের অপুষ্টি
সমুদ্র জল ট্যান করলো চামড়া
ধমনী জুড়ে ভীষণ অসস্থি..