আর্তি
ভাইরাসটা উষ্ণতা দিয়ে
গিয়েছিল
অধর বা ওষ্ঠের ছোঁয়া নয়
এ আমার দামাল স্বেতকনিকার
দাপাদাপির উষ্ণতা
মা ওডিকলং দিয়ে যাচ্ছিল
ভেজা ন্যাকরার মমতায়
মায়ের কোমল স্পর্শের লোভ
আমি আঁচল আঁকড়াই
পুরুষমানুষ সিংহএর ন্যায়
হয়ত
তাই বাবা ... চ্যাম্পিয়নের
সামনে আসেনি
দরজা দিয়ে উঁকি মেরে
মাথা নেড়ে চলে গেল
কেউ কেউ বোধয় ফোনও করেছিল
বেরে চলা পারদ
আমায় ঠাওর করতে দায়নি
সে রিংটোন
ঘোলাটে হয়ে আসা দৃষ্টিতে
শুনি এক রুপবান পুরুষের সরি
তারপর কিছুটা কান্না,
কিছুটা ভালবাশা
সব শেষে একটা গান
আমার ঠোঁটের হাসিটা বুঝতে
পেরেছিলাম
বুঝিনি তার সাথে খানিক
গ্যাঁজলাও বেড়িয়েছিল
তারপর অন্ধকার
আজ যখন জ্ঞান এলো
তখন আমার হাতে চ্যানেল
হাতের রেখাতে কি কিছু কথা
ছিল
‘ছিল ডাক্তার ছিল’
‘মা’ – আমার করুন আর্তি
ও কি এসেছিল, ফোন করেছিল
মায়ের নিস্তব্দতা বোঝায় তুই
নেই
অথবা তোর জগতে আমি নেই
দেড় দিনের খোঁচা খোঁচা দাড়ি
একটু সুপ, একটু স্যালাইন,
একটু অ্যান্টিবাইয়টিক এ
ধুকপুক করে চলা হৃদয়
আজও তোকে খোঁজে
আর্তিটা আর্তনাদ হতে চায়
কিন্তু শেষে কান্নায় গলে
বেরিয়ে যায়
জ্ঞান হারানোর আগে বুঝতে
পারি
আমি হারিয়ে গেছি
নতুন করে পাবি অথবা পাবিনা
আমায়
তবুও হিয়ার মাঝে খুঁজে
দেখিস
সেই ক্ষমা চাওয়া পুরুষের
চেয়েও
আমার আর্তি মেশান চোখটাই আজ
বেশী পরিষ্কার
No comments:
Post a Comment